আজ থেকে প্রায় আটশত বছর আগে আমাদের বাংলাদেশে হযরত শাহ জালাল (রহঃ) এঁর নেতৃত্বে ৩৬০জন আউলিয়া-ই-কিরাম (রাঃ) আগমন করেছেন। এর মধ্যে কাদেরীয়া ত্বরীক্বাহর অনুসারী ৭৫জন, চিশতীয়া ত্বরীক্বাহ ১৭৫জন ও অন্যান্য সিলসিলার অনুসারী বাকীজন। তাদের আগমন ও তাদের ইতিহাস থেকে যা পাওয়া যায়, তাদের সভাব চরিত্র ঈমান আকাঈদ আমল সবই ছিল উত্তম, একান্ত লিওয়াজহিল্লাহ রিজায়ি মাওলা, রিজায়িনবী এবং মানব কল্যানমূখী তাদের প্রত্যেকটি কর্মসুচি নিয়ে আজও আলোচনা অব্যহত এবং অব্যহত থাকবে। তাদের কর্মসুচি ও সততা উপর বিশ্বাস ও ভক্তিসহকারে মুসলিম বিশ্বের সকল মুসলমান মনেপ্রানে মেনে নিচ্ছেন। তাদের অবদানে আজ বাংলাদেশ আজ স্বাধীন। তাদের গড়া আবাদ ভ’মিতে বাসকরে তাদের ঐতিহ্য মহত্ব তাদের ঈমান আকাঈদ আমল ও সৎকর্মসূচি বাদ দিয়ে বর্তমান বাংলাদেশের পীরেরা ইসলাকে ঈমানকে আকাঈদকে আমালকে কলংকৃত করে মিথ্যা ধোকা চলনা দুনিয়াবী সার্থ আদায়ে ব্যস্ত তাদের সকল কর্মসূচি মোহাম্মদীয়া ফরমুলার পরিপন্থি। প্রকাশ থাকে যে, ত্বরীক্বতের শক্র ত্বরীক্বতের মানুষ। শরীয়তের শক্র শরীয়তের মানুষ। রাজনৈতির শক্র রাজনৈতিক মানুষ। পীরদের শক্র পীরেরাই।আলেমদেও শক্র আলেমরাই।
আজ থেকে ২০০বছর আগেও পীরগিরী ব্যবসা কেন্দ্রিক ছিলনা, যা বর্তমানে যা চলছে। পীরগিরীর উদ্দেশ্য যদি লিল্লাহিয়াত হয়, তবে তা ভাল এবং তাবৈধ । অন্যথায় এই ধরনের ব্যবসার মধ্যে আছে হাজার মিথ্যা, চলনা, ধোকা, হতাসা,যন্ত্রনা, মিথ্যাশা, যা ইসলাম তথা নবী মোহাম্মদ এর পরমুলার পরিপন্থী, এই ধরনের ব্যবসার সাথে জড়ানো শিরক ও কুফুরী, যা থেকে বিরত থাকা ফরয । এই ধরনের দুনিয়াবী সার্থ রক্ষা ও বদখেয়াল মাত্র । যার সাথে আল্লাহ বা রাসুলের সাথে বা মোহাম্মদী ইসলামের কোন মিল নেই । তাছাড়া রাজতন্ত্রের প্রক্রিয়া ইসলামে কোন স্থান নেই। পীরগিরী সহজ ব্যাবসা। সুযোগ পেলে আমিও করতাম। এর পূর্ব দক্ষতা বা অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। আমাদের দেশে পীরদের দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা কোনটাই নেই। আছে শুধু পৈত্রিক পীরগিরীর কিছু সুত্র আর আছে কিছু বোকা অশিক্ষিত বকলম সাধারন মানুষ। যাদেরকে সহজে ধোকা দেয়া খুবই সহজ। বাংলাদেশে ৪২০০০পীর রয়েছে। যাদের একজনের সাথেও আল্লাহর বা রাসুলের কোন সম্পর্ক আছে?। বাংলাদেশের ৪২০০০পীরই মুরীদ তালাশে ব্যস্ত। তাদের কাছে আল্লাহ বা রাসুলের মূল্য খুব কম। না আছে তাদের সাথে পুর্বেকার কোন ওয়ালীদের কোন ভাল চরিত্র। না আছে ক্বোরআন হাদীসের মিল। তারা শুধু তাদের দুনিয়াবী সার্থ সিদ্ধির জন্য তারা বোকা অশিক্ষিত বকলম সাধারন মানুষকে। ব্যবহার করে আসছে। বাংলাদেশ সরকার ও বোকা অশিক্ষিত বকলম সাধারন মানুষ। এর জানা নেই। বাংলাদেশ সরকার এর পতিকার কিছুই করার নেই। আমাদের বাংলাদেশের সাধারণ মুসলমান ইসলামের ব্যপারে খুবই দুবূল ভীরু। তাছাড়া সবাই আবেগ প্রবন। আমরা ধর্মভীরু কিন্তু আমাদের ধর্মীয় জ্ঞানের আভাব থাকার কারণে সহজ সরল কোমলমতি মুসলমানদেও ধোকা দেয়া খুবই সহজ। যার নাম ধর্ম ব্যাবসা, বিনা চালানে পীরগিরী ব্যবসা। রাজতন্রী কেন্দ্রীক পীর ব্যবসা যার সাথে ইসলামের কোন মিল পাওয়া যায়না। বা ক্বোরআনে বা হাদীসের দৃষ্ঠিতে এর তথ্য বা প্রমান পাওয়া যায়না। বর্তমান বাংলাদেশের পীরগিরী ব্যবসা কেন্দ্রিক হওয়ায় ত্বরীকত জগতে মানুষের মনোভাব উল্টা দিকে চলেগেছে। প্রথম দিকে কিছুটা লিল্লাহিয়াত থাকলে ও বর্তমানে তার কোন কিছুই নেই। বাংলাদেশের ৪২০০০পীরদের হাত থেকে আল্লাহ হিফাজত করুন।আমীন।
আজ থেকে ২০০বছর আগেও পীরগিরী ব্যবসা কেন্দ্রিক ছিলনা, যা বর্তমানে যা চলছে। পীরগিরীর উদ্দেশ্য যদি লিল্লাহিয়াত হয়, তবে তা ভাল এবং তাবৈধ । অন্যথায় এই ধরনের ব্যবসার মধ্যে আছে হাজার মিথ্যা, চলনা, ধোকা, হতাসা,যন্ত্রনা, মিথ্যাশা, যা ইসলাম তথা নবী মোহাম্মদ এর পরমুলার পরিপন্থী, এই ধরনের ব্যবসার সাথে জড়ানো শিরক ও কুফুরী, যা থেকে বিরত থাকা ফরয । এই ধরনের দুনিয়াবী সার্থ রক্ষা ও বদখেয়াল মাত্র । যার সাথে আল্লাহ বা রাসুলের সাথে বা মোহাম্মদী ইসলামের কোন মিল নেই । তাছাড়া রাজতন্ত্রের প্রক্রিয়া ইসলামে কোন স্থান নেই। পীরগিরী সহজ ব্যাবসা। সুযোগ পেলে আমিও করতাম। এর পূর্ব দক্ষতা বা অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। আমাদের দেশে পীরদের দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা কোনটাই নেই। আছে শুধু পৈত্রিক পীরগিরীর কিছু সুত্র আর আছে কিছু বোকা অশিক্ষিত বকলম সাধারন মানুষ। যাদেরকে সহজে ধোকা দেয়া খুবই সহজ। বাংলাদেশে ৪২০০০পীর রয়েছে। যাদের একজনের সাথেও আল্লাহর বা রাসুলের কোন সম্পর্ক আছে?। বাংলাদেশের ৪২০০০পীরই মুরীদ তালাশে ব্যস্ত। তাদের কাছে আল্লাহ বা রাসুলের মূল্য খুব কম। না আছে তাদের সাথে পুর্বেকার কোন ওয়ালীদের কোন ভাল চরিত্র। না আছে ক্বোরআন হাদীসের মিল। তারা শুধু তাদের দুনিয়াবী সার্থ সিদ্ধির জন্য তারা বোকা অশিক্ষিত বকলম সাধারন মানুষকে। ব্যবহার করে আসছে। বাংলাদেশ সরকার ও বোকা অশিক্ষিত বকলম সাধারন মানুষ। এর জানা নেই। বাংলাদেশ সরকার এর পতিকার কিছুই করার নেই। আমাদের বাংলাদেশের সাধারণ মুসলমান ইসলামের ব্যপারে খুবই দুবূল ভীরু। তাছাড়া সবাই আবেগ প্রবন। আমরা ধর্মভীরু কিন্তু আমাদের ধর্মীয় জ্ঞানের আভাব থাকার কারণে সহজ সরল কোমলমতি মুসলমানদেও ধোকা দেয়া খুবই সহজ। যার নাম ধর্ম ব্যাবসা, বিনা চালানে পীরগিরী ব্যবসা। রাজতন্রী কেন্দ্রীক পীর ব্যবসা যার সাথে ইসলামের কোন মিল পাওয়া যায়না। বা ক্বোরআনে বা হাদীসের দৃষ্ঠিতে এর তথ্য বা প্রমান পাওয়া যায়না। বর্তমান বাংলাদেশের পীরগিরী ব্যবসা কেন্দ্রিক হওয়ায় ত্বরীকত জগতে মানুষের মনোভাব উল্টা দিকে চলেগেছে। প্রথম দিকে কিছুটা লিল্লাহিয়াত থাকলে ও বর্তমানে তার কোন কিছুই নেই। বাংলাদেশের ৪২০০০পীরদের হাত থেকে আল্লাহ হিফাজত করুন।আমীন।