আজ ১৩ রজব মওলা আলী মুশকিল কুশার আগমন দিবস...!!
এমন সৌভাগ্যবান ব্যক্তি কে আছেন যিনি আল্লাহর ঘর কাবা শরীফের ভেতরে জন্মলাভ করেছেন,আবার আল্লাহর ঘরেই শত্রুর ঘায়ে আহত হয়ে শাহাদাত লাভ করেন৷ তাঁর নৈতিক গুণাবলী ছিল নবী করিম সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মতোই ৷ নবুয়্যতির দায়িত্ব পাবার আগে নবীজী যেসব কিছু অপছন্দ করতেন আলী (আ) ও সেইসব বস্তু পরিহার করে চলতেন৷ তিনি এই বিশ্বের হাকিকত কিংবা রহস্য সম্পর্কে সচেতন ছিলেন ৷ কী শত্রু, কী মিত্র সবাই একটি বিষয়ে বিশ্বাস করে যে,রাসূলে খোদা (দুরুদ) এর পর সবচে জ্ঞানী ব্যক্তি ,ন্যায়বান এবং তাকওয়াবান ব্যক্তিত্ব ছিলেন হযরত আলী (আ.)৷ তাঁর চাচাতো ভাই আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস যখন ‘পণ্ডিত' উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো,আলীর জ্ঞানের সাথে তোমার জ্ঞানের পরিমাপ কীরকম ? উত্তরে আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস বলেছিলেন বিশাল সমুদ্রের তুলনায় এক ফোঁটা বৃষ্টির পানির মতো৷
মওলা আলী তুলনা বিহীন । তিনি এমনই মওলা যার মধ্যে কোন প্রকার গলিজ(ত্রুটি-বিচ্যুতি-অপবিত্রতা) নেই । তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যে পবিত্র বায়তুল হারাম(কাবাতে) এ জন্মগ্রহণ করেন এবং আল্রাহর ঘর বলে পরিচিত মসজিদে শাহাদতের পেয়ালা পান করেন । অর্থাত আল্লাহতে যার আগমন এবং আল্লাহতেই যার প্রত্যাগমন । তিনি আমাদের পেয়ারা নবী মোহাম্মদ রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর নফস(প্রাণ) স্বরুপ । পেয়ারা নবী তার অসীম জ্ঞানভান্ডারের সবকিছুই মাওলা আলীকে দিয়েছেন । তাই মওলা আলী হলো বেলায়েতের মূল খনি ।
আসুন মাওলায়ে মুত্তাকিয়ান ইমাম আলী (আঃ)-এর ভালবাসা নিজেদের অন্তরে স্থান দেই। কেননা হযরত যিরর ইবনে হুবায়শ (রা:) হতে বর্নিত, হযরত আলী (আ:) বলেছেন; আমার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের অঙ্গীকার হচ্ছে- কেবল মুমিনই তোমাকে ভালবাসবে আর মুনাফিকই তোমার প্রতি শত্রুতা পোষণ করবে। ( সুনানে নাসাঈ (নাসাঈ শরীফ), ৪র্থ খন্ড, হাদিস নং- ৫০১৭ ও ৫০২১। ৫০১৭ নং হাদিস ''ঈমান ও এর বিধানাবলী'' অধ্যায়ের '' আলামাতুল ইমানি বা ইমানের আলামত'' পরিচ্ছেদ দ্রষ্টব্য। ৫০২১ নং হাদিস ''ঈমান ও এর বিধানাবলী'' অধ্যায়ের ''আলামাতুল মুনাফিকি বা মুনাফিকের আলামত'' পরিচ্ছেদ দ্রষ্টব্য। গ্রন্থটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ হতে প্রকাশিত)
রাসুলে পাক সাল্লাল্রাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম আরোও বলেন “হে আলী! ঈমানদার কখনো তোমার শত্রু হবে না এবং মোনাফেক কখনো তোমাকে ভালবাসবে না।”
মওলা আলী (আ.) হলো পথ প্রদর্শক।
আল কোরআনে এরশাদ হচ্ছে- ইন্নামা আনতা মুনযিরুঁ ওয়া লি-কুল্লি ক্বাউমিন হাদি। অর্থ : নিশ্চয়ই আপনি সতর্ককারী এবং প্রত্যেক জাতির (সম্প্রদায়ের) জন্য একজন পথপ্রদর্শক রয়েছে । (সূরা রাদ, আয়াত-৭)।
এ আয়াতের ব্যাখ্যা অধিকাংশ তাফসীরকারক বর্ণনা করে বলেন,
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসুলে পাক সাল্লাল্রাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেন- " আমি হলাম সতর্ককারী আর আলী হচ্ছে পথ প্রদর্শক " এবং ইয়া আলী তোমার দ্বারা পথের সন্ধানকারীরা সত্যপথ অবলম্বন করবে "
হযরত আবু বারদা আসলামী বর্ণনা করেছেন, রাসুলে পাক সাল্লাল্রাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেন-অজু করার পর হযরত আলী(আ.)'কে বুকে জড়িয়ে ধরলেন এবং সুরা রাদ এর ৭ নং আয়াত তেলাওয়াত করলেন, নিজের বুকের দিকে ইশারা করে বললেন যে, আমি হলাম সতর্ককারী আর আলী'র বুকের দিকে ইশারা করে বললেন যে, এই আলী হলো পথ প্রদর্শক । (সুত্রঃ তাফসীরে কাবীর, খঃ-৫, পৃঃ-২৭১, তাফসীরে ইবনে কাসীর , খঃ-২, পৃঃ-৫০২, তাফসীরে দূররে মানসুর, খঃ-৪, পৃঃ-৪৫, তাফসীরে তাবারী, খঃ-১৩, পৃঃ-১০৮ ।)
হে আল্লাহ ! পাক পাঞ্জাতন এবং আহলে বাইতের প্রেম ও ইশক আমাদের নসীব করুন । আমীন ।
এমন সৌভাগ্যবান ব্যক্তি কে আছেন যিনি আল্লাহর ঘর কাবা শরীফের ভেতরে জন্মলাভ করেছেন,আবার আল্লাহর ঘরেই শত্রুর ঘায়ে আহত হয়ে শাহাদাত লাভ করেন৷ তাঁর নৈতিক গুণাবলী ছিল নবী করিম সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মতোই ৷ নবুয়্যতির দায়িত্ব পাবার আগে নবীজী যেসব কিছু অপছন্দ করতেন আলী (আ) ও সেইসব বস্তু পরিহার করে চলতেন৷ তিনি এই বিশ্বের হাকিকত কিংবা রহস্য সম্পর্কে সচেতন ছিলেন ৷ কী শত্রু, কী মিত্র সবাই একটি বিষয়ে বিশ্বাস করে যে,রাসূলে খোদা (দুরুদ) এর পর সবচে জ্ঞানী ব্যক্তি ,ন্যায়বান এবং তাকওয়াবান ব্যক্তিত্ব ছিলেন হযরত আলী (আ.)৷ তাঁর চাচাতো ভাই আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস যখন ‘পণ্ডিত' উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো,আলীর জ্ঞানের সাথে তোমার জ্ঞানের পরিমাপ কীরকম ? উত্তরে আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস বলেছিলেন বিশাল সমুদ্রের তুলনায় এক ফোঁটা বৃষ্টির পানির মতো৷
মওলা আলী তুলনা বিহীন । তিনি এমনই মওলা যার মধ্যে কোন প্রকার গলিজ(ত্রুটি-বিচ্যুতি-অপবিত্রতা) নেই । তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যে পবিত্র বায়তুল হারাম(কাবাতে) এ জন্মগ্রহণ করেন এবং আল্রাহর ঘর বলে পরিচিত মসজিদে শাহাদতের পেয়ালা পান করেন । অর্থাত আল্লাহতে যার আগমন এবং আল্লাহতেই যার প্রত্যাগমন । তিনি আমাদের পেয়ারা নবী মোহাম্মদ রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর নফস(প্রাণ) স্বরুপ । পেয়ারা নবী তার অসীম জ্ঞানভান্ডারের সবকিছুই মাওলা আলীকে দিয়েছেন । তাই মওলা আলী হলো বেলায়েতের মূল খনি ।
আসুন মাওলায়ে মুত্তাকিয়ান ইমাম আলী (আঃ)-এর ভালবাসা নিজেদের অন্তরে স্থান দেই। কেননা হযরত যিরর ইবনে হুবায়শ (রা:) হতে বর্নিত, হযরত আলী (আ:) বলেছেন; আমার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের অঙ্গীকার হচ্ছে- কেবল মুমিনই তোমাকে ভালবাসবে আর মুনাফিকই তোমার প্রতি শত্রুতা পোষণ করবে। ( সুনানে নাসাঈ (নাসাঈ শরীফ), ৪র্থ খন্ড, হাদিস নং- ৫০১৭ ও ৫০২১। ৫০১৭ নং হাদিস ''ঈমান ও এর বিধানাবলী'' অধ্যায়ের '' আলামাতুল ইমানি বা ইমানের আলামত'' পরিচ্ছেদ দ্রষ্টব্য। ৫০২১ নং হাদিস ''ঈমান ও এর বিধানাবলী'' অধ্যায়ের ''আলামাতুল মুনাফিকি বা মুনাফিকের আলামত'' পরিচ্ছেদ দ্রষ্টব্য। গ্রন্থটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ হতে প্রকাশিত)
রাসুলে পাক সাল্লাল্রাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম আরোও বলেন “হে আলী! ঈমানদার কখনো তোমার শত্রু হবে না এবং মোনাফেক কখনো তোমাকে ভালবাসবে না।”
মওলা আলী (আ.) হলো পথ প্রদর্শক।
আল কোরআনে এরশাদ হচ্ছে- ইন্নামা আনতা মুনযিরুঁ ওয়া লি-কুল্লি ক্বাউমিন হাদি। অর্থ : নিশ্চয়ই আপনি সতর্ককারী এবং প্রত্যেক জাতির (সম্প্রদায়ের) জন্য একজন পথপ্রদর্শক রয়েছে । (সূরা রাদ, আয়াত-৭)।
এ আয়াতের ব্যাখ্যা অধিকাংশ তাফসীরকারক বর্ণনা করে বলেন,
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসুলে পাক সাল্লাল্রাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেন- " আমি হলাম সতর্ককারী আর আলী হচ্ছে পথ প্রদর্শক " এবং ইয়া আলী তোমার দ্বারা পথের সন্ধানকারীরা সত্যপথ অবলম্বন করবে "
হযরত আবু বারদা আসলামী বর্ণনা করেছেন, রাসুলে পাক সাল্লাল্রাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেন-অজু করার পর হযরত আলী(আ.)'কে বুকে জড়িয়ে ধরলেন এবং সুরা রাদ এর ৭ নং আয়াত তেলাওয়াত করলেন, নিজের বুকের দিকে ইশারা করে বললেন যে, আমি হলাম সতর্ককারী আর আলী'র বুকের দিকে ইশারা করে বললেন যে, এই আলী হলো পথ প্রদর্শক । (সুত্রঃ তাফসীরে কাবীর, খঃ-৫, পৃঃ-২৭১, তাফসীরে ইবনে কাসীর , খঃ-২, পৃঃ-৫০২, তাফসীরে দূররে মানসুর, খঃ-৪, পৃঃ-৪৫, তাফসীরে তাবারী, খঃ-১৩, পৃঃ-১০৮ ।)
হে আল্লাহ ! পাক পাঞ্জাতন এবং আহলে বাইতের প্রেম ও ইশক আমাদের নসীব করুন । আমীন ।