“না‘ত-ই-রাসুল ” ১৭
তৌহিদেরী মোরশেদ আমার
মোহাম্মদের নাম।
মোরশেদ মোহাম্মদের নাম।
তৌহিদেরী মোরশেদ আমার
মোহাম্মদের নাম।
মোরশেদ মোহাম্মদের নাম।
এই নাম জপলেই বুঝতে পারি
আল্লাহর কালাম,
মোরশেদ মোহাম্মদের নাম।
এই নামেরী রশি ধরে যাই আল্লাহর পথে
এই নামেরী তরী চড়ে ভাসি নূরের শ্রোতে,
এই নামেরী বাতি জ্বেলে দেখি
আরশের মোকাম।
মোরশেদ মোহাম্মদের নাম।
এই নামের দামন ধরে আছি
আমার কিসের ভয়,
এই নামের গুনে পাবো
আমার আল্লাহর পরিচয়,
তাঁর কদম মোবারক যে
আমার বেহেশ্তী তাঞ্জাম।
মোরশেদ মোহাম্মদের নাম।
“না‘ত-ই-রাসুল ” ১৮
তোরা দেখে যা আমেনা মায়ের কোলে,
মধু পূর্ণিমারি সেথা চাঁদ দোলে।
তোরা দেখে যা ............
যেন ঊষার কোলে রাঙ্গা রবি দোলে ।
যেন ঊষার কোলে রাঙ্গা রবি দোলে ।
কুল মাখলুকে আজি ওঠে “ কে এল ঐ”
কালেমা শাহাদাতের বাণী ঠোঁটে “ কে এল ঐ”
আল্লাহর জ্যোতিঃ পেশানীতে ফোটে “ কে এল ঐ”
আকাশ গ্রহ তারা পড়ে লুটে
“ কে এল ঐ”
পড়ে দুরূদ ফেরেশ্তা জান্নাতের দুয়ার খোলে।
পড়ে দুরূদ ফেরেশ্তা জান্নাতের দুয়ার খোলে।
মানুষে মানুষের অধিকার দিল যে জন,
এক আল্লাহ ছাড়া মাবুদ নাই,কহিল যে জন,
মানুষের লাগি,চির দীন বেশ ধরিল
যে জন,
বাদশা ফকীর এক শামিল করিল যে জন,
এল ধরায় ধরা দিতে সেই নবী,
ব্যথিত মানবের ধ্যানের ছবি,
(আজি) মাতিল বিশ্ব নিখিল মুক্ত কলরোলে ।
মাতিল বিশ্ব নিখিল মুক্ত কলরোলে ।
“না‘ত-ই-রাসুল ”১৯
সাহারাতে ফুটলরে ফুল, রঙ্গিন গুলে লা লা
সেই ফুলের খোশবুতে আজ, দুনিয়া মাতোয়ারা,
সাহারাতে ফুটলরে ফুল, রঙ্গিন গুলে লা লা
সেই ফুলের খোশবুতে আজ, দুনিয়া মাতোয়ারা,
সেই ফুল নিয়ে কাড়াকাড়ি
চাঁদ-- সূরুজ,গ্রহ -- তারায়,
ঝুকে পড়ে চুমে সে ফুল নীল গগন নিরালা।
ঝুকে পড়ে চুমে সে ফুল নীল গগন নিরালা।
সেই ফুলেরই রওশনীতে আরশ কুর্ছী রওশন,
সেই ফুলের রং লেগে আজ ত্রিভূবন উজালা।
সেই ফুলের রং লেগে আজ ত্রিভূবন উজালা।
সেই ফুলেরই গুলিস্তানে আসে লাখো পাখী,
সেই ফুলেরে ধরতে বুকে দোলে রে ডাল পালা।
সেই ফুলেরে ধরতে বুকে দোলে রে ডাল পালা।
চাহে সেই ফুল জীন ইনসান,হুরপরী ফেরেশ্তায়,
ফকীর দরবেশ বাদশাহ চাহে করতে গলে মালা।
ফকীর দরবেশ বাদশাহ চাহে করতে গলে মালা।
চেনে রসিক ভোমরা বুলবুল সেই ফুলের ঠিকানা,
কেউ বলে হযরত মোহাম্মদ কেউ বা কামলী ওয়ালা।
কেউ বলে হযরত মোহাম্মদ কেউ বা কামলী ওয়ালা।
“না‘ত-ই-রাসুল ”২০
শামছুদ্দোহা আছ্ছালাম
বাদরুদ্দোজা আছ্ছালাম
নূরূলহুদা আছ্ছালাম, আছ্ছালাম,
তোমার দুরূদ পড়ে আল্লাহ তায়ালা
ফেরেশ্তাকুল গাহে সল্লে আলা,
নিখিল সৃষ্টি তব পাক ক্বদমে,
ভেজে দুরূদ সালাম।
সৃষ্টির মাঝে তুমি চির সুন্দর,
বদন চন্দ্র হতে উজ্জলতর,
মিশ্ক আম্বর হতে সুবাস অধিক,
তব তনুর ঘাম।
সব নবী রাসুলের তুমি সরদার,
সৃষ্টির মাঝে নেই মিছাল তোমার,
আল্লাহর পরেই ওগো হাবীব আল্লাহর,
তোমার উচ্চ মোকাম।
নাশী গোর কুফুরীতে তীমির আধার,
পৌছালে দিকে দিকে নাম আল্লাহর,
মস্ত করিলে সবে এশকে আল্লাহর,
দানি তৌহীদ জাম।
খন্ডিত হল চাঁদ ইঙ্গিত কর,
হুকুমে কালিমা পড়ে মুর্দা পাথর,
নবীরা নাজাত পেল ঘোর বিপদে,
লয়ে তোমার নাম।
পয়গাম শুনাইলে চির শান্তির ,
দিলে গোমরাহে দিশা দিশা মুক্তির,
পেলে আজাদীর সাধ নতুন করে,
বিশ্ব বন্দী তামাম।
আরশে আলায় গেলে মিরাজ রাতে,
মধুর মিলন হল আল্লাহর সাথে,
লভিয়া তোমার পুত চরন ধুলি,
ধন্য আরশ মোকাম।
ভীষন বিপদ কালে রোজ মাহশার,
ওগো নবী তুমি ছাড়া নাই শাফীয়ার,
তুমি পিলাবে ছাকী সেই তিয়াসায়,
পুত কাউসার জাম।
লও গো ডাকিয়া লও পাক মদীনায়,
দাও ওগো ঠাই তব মোবারক পায়,
পারে না বিচ্ছেদ ব্যথা সহিতে আর,
প্রিয় তব গোলাম।
“না‘ত-ই-রাসুল ”২১
নিখিলের চির সুন্দর সৃষ্টি,
আমার মোহাম্মদ রাসুল।
কুল মাখলুকাতের গুলবাগে যেন,
একটি ফোটা ফুল।
নূরের রবি যে আমার নবী,
পূর্ন করুনা ও প্রেমের ছবি,
মহিমা গাহে তাঁর নিখিল কবি,
কেউ নহে তাঁর সমতুল।
পেয়ারা নবী যে এলো দুনিয়ায়,
হাসিল নিখিল আলোক আভায়,
পুলক লাগিল তরু ও লতায়,
খুশীতে সবাই মশগুল।
আধাঁর রাতে সে যে চাঁদের কিরণ,
মরুর বুকে সুধা বারিষণ,
নীরব ধরার গুল বাগেতে,
গান গেতে এলো বুলবুল।
“না‘ত-ই-রাসুল ”২২
দুঃখের দিনের দরদী মোর,
নবী কামলী ওয়ালা ।
তুমি আসবে জানি,
এই আধাঁর রাতে,
জ্বালবে চেরাগ লালা।
জাগবে যবে বক্ষে আমার,
আবার তৃষ্ণা সাত সাহারার,
জানি ধরবে তুলে কন্ঠে আমার,
কাওসারের পেয়ালা।
মাঝ দরিয়ায় উঠলো তুফান,
তায় না আমি ডরি,
জানি আমায় কুলে নিবে ,
তোমার শাফায়াতের মালা।
তোমার বে সুম জানি ,
করে আমার নেগাহবানী,
রাংবে ধুসর দিল গুলি মোর,
তোমার আখিঁর জ্বালা।
“না‘ত-ই-রাসুল ”২৩
মোহাম্মদ নাম জপেছিলি
বুলবুলি তুই আগে,
তাই কিরে তোর কন্ঠের এ গান
এতই মধুর লাগে।
ওরে গোলাপ নিরিবিলি
মোর নবীজির ক্বদম চুমেছিলি,
বুঝি নবীর ক্বদম চুমেছিলি,
তাঁর ক্বদমের খোসব ফিরে
আজ তোরে আতর লাগে।
সেই ক্বদমের খোশবু আজ ও
তোর অন্তরে জাগে।
ওরে ভ্রমর নিরিবিলি
মোর নবীজির ক্বদম চুমেছিলি,
গুন গুনিয়ে সেই খুশি কি আজ,
জাগাসরে গুলবাগে।
মোর নবীজিকে লুকিয়ে দেখে
তাঁর পেশানীর নূর মেখে
ওরে ও চাঁদ রাঙ্গালি কি
তুই গভীর অনুরাগে।
“না‘ত-ই-রাসুল ”২৫
মন যে আমার টিকে নারে
এই দেশেতে হায় রে,
প্রিয় নবী লও গো ডাকি
সোনার মদীনায় রে ।
সোনার মদীনায় রে ।
নাইকো টাকা, নাইকো কড়ি,
বাংলাদেশে রইলাম পড়ি,
পারলাম নাকো দিতে সালাম,
গিয়ে নবীজির পায় রে।
প্রিয় নবী লও গো ডাকি
সোনার মদীনায় রে ।
পারতাম যদি যেতে হেথা,
জুড়াইতো মনের ব্যাথা,
পাক মদীনার পথের ধুলা,
মাখতাম সারা গায় রে।
প্রিয় নবী লও গো ডাকি
সোনার মদীনায় রে ।
পাখা যদি থাকতো আমার,
দেরী তবে করতাম না আর,
উড়ে গিয়ে হাজির হতাম,
নবীজির রওজায় রে।
প্রিয় নবী লও গো ডাকি
সোনার মদীনায় রে ।
রওজাহ পাকের চৌকাট ধরি,
চুমু খেয়ে থাকতাম পড়ি,
বলতাম যদি না দাও দেখা,
মরিব হেথায় রে।
প্রিয় নবী লও গো ডাকি
সোনার মদীনায় রে ।
বলতাম আরও বিনয় করে,
সেই ভয়নক রোজ হাশরে ,
উম্মত বলে ক্বদমে,
দানিয় আমায় রে।
প্রিয় নবী লও গো ডাকি
সোনার মদীনায় রে ।
“না‘ত-ই-রাসুল ”২৬
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
আমার মউতের নিদান কালে
থাকিবেন নবী গো আমার শিয়রে,
দেখিব আপনাকে আপন নজরে।
দেখিব আপনাকে আপন নজরে।
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
দেখি যদি চেহরায়ে আনওয়ার
মউতের জ্বালা আর থাকিবে না আমার
দয়া যে করিয়া দিয়েন দীদার ।
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
অন্ধকার কবরে যখন দিবে অমাকে
থাকিবেন নবী গো আমার কবরে,
দেখিব আপনাকে আপন নয়নে।
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
আপনারই নূরের জলক লাগিয়া,
কবরের আঁধার যাইবে চলিয়া,
দিয়েন দেখা দয়া করিয়া।
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
মনকির নকীর আসিয়া ছুওয়াল করবে বসাইয়া,
দিয়েন গো দেখা পর্দা উঠাইয়া ।
দেখিব আপনাকে আপন নয়নে।
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
মাতা পিতা যাহাদের অন্ধকার কবরে
রাখিয়েন নবী গো মায়ার নজরে,
উম্মত বলিয়া কবূল করে।
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
শাফায়াতের অধিকার হাতেতে আপনার
তরাইবেন নবী গো উম্মত গুনাহগার
জান্নাতে নিয়েন হাতে ধরিয়া।
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
এই বিশ্ব জগতে প্রকাশ্য ও গোপনে,
দেখিতেছেন নবীজি আপন নয়নে,
গায়েবের খবর আপনি দেনে ওয়ালা।
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
শুনেছি হাদীসে দেখিলে আপনাকে
জীবনের হুনাহ ঝরে পড়ে ,
দেখা যে দিয়া মনের আসা দাও মিটাইয়া।
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
ইয়া রাসুলাল্লাহ ইয়া
হাবীবাল্লাহ
“না‘ত-ই-রাসুল ”২৭
নেহী দো জাঁহা মে মেছালে মোহাম্মদ,
জামালে আল্লাহ হায় কামালে মোহাম্মদ।
আল্লাহ কা পেয়ারা হামারে মোহাম্মদ ,
জামালে আল্লাহ হায় কামালে মোহাম্মদ।
হামারে নবীজি ছবছে বেহতর,
না কুই নবী উনকি বরাবর।
আল্লাহ কা পেয়ারা হামারে মোহাম্মদ ,
জামালে আল্লাহ হায় কামালে মোহাম্মদ।
মোহাম্মদ নে আ কর কুফর কো মিটায়া,
কুফর কো মিটা কর ছাদাকত বাচায়া।
আল্লাহ কা পেয়ারা হামারে মোহাম্মদ ,
জামালে আল্লাহ হায় কামালে মোহাম্মদ।
ইয়া শামছুদ্দোহা হো ইয়া বাদরূদ্দুজা হো,
ইয়া নূরে আল্লাহ কি সল্লে আলা কি,
নবী হো ওয়ালী হো ছব মুহতাজ উনকি,
আল্লাহ কা আল্লাহ ই হাওয়ালা উনকি,
ওহ আশেকে নবী হো মাশুকে মোহাম্মদ,
জামালে আল্লাহ হায় কামালে মোহাম্মদ।
“না‘ত-ই-রাসুল ”২৮
সাইয়্যেদুল মোরসালীন নবী,শাফীউল মুজনেবীন,
খাতামূল আম্বিয়া তুমি রহমাতুল্লিল আলামীন।
নাহী ছিল আকাশ জমীন,নাহী ছিল আলম,
নাহী ছিল আরশ কুরছী,লৌহ আর ক্বলম,
জীন পরী মালায়েক,মানব দানব,
উত্তর দক্ষিন আর পশ্চিম
পূরব,
উঁচা নিচা, ভাল মন্ধ,তারা রবি শশী,
বারী বায়ু,অগ্নি মাটি আর দিবানিশি,
একিলা ছিলেন আল্লাহ মালেক মোক্তার,
নাহী ছিল কোন বস্তু সঙ্গেতে তাঁহার,
তখন তুমি পয়দা হলে মোহাম্মদ রাসুল,
আল্লাহু আল্লাহু রবে আছিলে মাশগুল।
আকাশ ও জমীন আদি সৃষ্টি হইবার ,
৫০লক্ষ বৎসর আগে পরোয়ারদেগার,
লৌহে মাহফুজের পরে ক্বলম ধরিয়া,
লিখে ছিলেন তোমারী নাম খাতামূল আম্বিয়া,
২লক্ষ ২৪ হাজার আম্বিয়াগনের নূর,
হয়ে ছিল যখন পয়দা ক্বুদরতে প্রভুর,
তোমার নূরের তাজাীল্লতে হইয়া মাশগুল,
ওগো নবী তুমি সেই মোহাম্মদ রাসুল।
ময়ূর রূপে আরশেতে তারা আসমানে,
লিখা খাতামূল আম্বিয়া লৌহে মাহফুজে,
সারা বিশ্বের জিকির আপনি,পেয়েছেন সম্মান,
কাউসার মাহমুদ,আহমদ,আরো লক্ষ আছে শান,
আল্লাহ পরেই আপনি নুরূন
আলা নূর।
“না‘ত-ই-রাসুল ”২৯
ইয়া মোহাম্মদ মোস্তফা নবী সল্লে আলা,
ইয়া মোহাম্মদ মোস্তফা নবী সল্লে আলা,
শাফাইয়াতের কান্ডারী রাসুলুল্লাহ।
কেউ বলে নবীজি নূরেরী পুতুল
কেউ বলে নবীজি গোলাফেরী ফুল,
নবী নয় সে গোলাফ নয় সে পুতুল নূর আল্লাহ।
ইয়া মোহাম্মদ মোস্তফা নবী সল্লে আলা,
ইয়া মোহাম্মদ মোস্তফা নবী সল্লে আলা,
শাফাইয়াতের কান্ডারী রাসুলুল্লাহ।
ক্বাবা নবীজি ক্বাবারী ক্বাবা,
নবীজি হইলেন আল্লাহ র ক্বাবা,
ক্বাবার ক্বাবা শুয়ে আছেন সোনার মদীনা।
ইয়া মোহাম্মদ মোস্তফা নবী সল্লে আলা,
ইয়া মোহাম্মদ মোস্তফা নবী সল্লে আলা,
শাফাইয়াতের কান্ডারী রাসুলুল্লাহ।
বাবা নয় নবীজি বাবারী বাবা,
নবীজি হইলেন মোমিনের ক্বাবা,
নবীজির শোকেতে ক্বাবা হইয়াছে কালা।
“না‘ত-ই-রাসুল ”৩০
আমার কিছু ভালো লাগে না,
মন হইয়াছে দেওয়ানা,
মনে লয় উড়িয়া যাইতাম সোনার মদীনা।
আছেন নবী মদীনাতে,
ডাকি যদি ডাকার মতে ও ,
দিবেন দেখা আমার সাথে দেরি করবেন না।
মনে লয় উড়িয়া যাইতাম সোনার মদীনা।
আল্লাহ যদি দিত পাখা,
উড়ে গিয়ে করতাম দেখা ও ,
গরীব আমার নাইকো টাকা,
যাইতে পারলাম না।
মনে লয় উড়িয়া যাইতাম সোনার মদীনা।
হজ্বের কাজ শেষ করিয়া,
মদীনাতে যাও চলিয়া ও ,
দয়াল নবীর জিয়ারতে গোনাহ থাকে না।
মক্কা শরীফ হজ্ব করিয়া,
মদীনাতে নাহি গেলে ও,
হজ্ব করিয়া চলে আসলে কবুল হবে না।
মনে লয় উড়িয়া যাইতাম সোনার মদীনা।
এই অধম কেঁদে বলে,
ওগো নবী আপনি বিনে ও,
রোজ হাশরে গোনাহ গারের উপায় দেখি না।
মনে লয় উড়িয়া যাইতাম সোনার মদীনা।