নাতে রাসুল সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
“না‘ত-ই-রাসুল ”৩১
নূর নবীজির নামটি আমার,
দয়াল নবীর নামটি আমার ,
সদায় জাগে মোর মনে,
কাঙ্গালের ধন গো নবী,কে বা নাহি জানে।
তোমারে যে পাইবার আশে,
ঘুরি আমি দেশ বিদেশে ও,
অধমেরে কইরা পাগল , অধমেরে কইরা পাগল
,
নবী সদায় জাগে মোর মনে।
কাঙ্গালের ধন গো নবী,কে বা নাহি জানে।
ক্বোরয়ানেতে শুনি আমি,
গোনাহ গারের বন্ধু তুমি ও,
তুমি নিজে পার করিবা, তুমি নিজে পার করিবা,
রোজ হাশরের দিনে।
কাঙ্গালের ধন গো নবী,কে বা নাহি জানে।
মরন আমার সামনে খাড়া,
কোন দিন জানি পড়ি ধরা ও,
আমি মনে প্রানে, আমি মনে প্রানে,
ডাকি দয়াল তোমারে।
কাঙ্গালের ধন গো নবী,কে বা নাহি জানে।
হাশর মিজানের কালে,
তোমায় ডাকব নবী ,
বন্ধু বলে ও,
নিজ গুনে পার করিও, নিজ গুনে পার করিও,
বিপদের সেই দিনে।
কাঙ্গালের ধন গো নবী,কে বা নাহি জানে।
আছেন আমার দয়াল নবীজি,
আমি কি আর মরনেরে ডরি ও,
মউত কালে কোলে নিবেন, মউত কালে কোলে নিবেন,
ভয় কি আমার কবরে।
কাঙ্গালের ধন গো নবী,কে বা নাহি জানে।
অধম গোলাম কেঁদে বলে,
নূর নবীজির ক্বদম তলে ও ,
ঠাই যেন পাই বিপদ কালে, ঠাই যেন পাই বিপদ
কালে,
নবীজি তরাইবেন আমারে।
কাঙ্গালের ধন গো নবী,কে বা নাহি জানে।
“না‘ত-ই-রাসুল ”৩২
সালাতু সালাম গো আমার ,
দুরূদ সালাম গো আমার,
কইও নবী মোস্তফায়,
তোমরা যদি মদীনায়।
অধমেরে কইরা পাগল,নবী শুয়ে আছেন মদীনায়।
মদীনা শরীফের মাটি ,
আমার চোখে মুখে বুকে মাখিও ,
এমন পবিত্র মাটি, এমন পবিত্র মাটি,
আমার নবীর রওজায়।
তোমরা যদি মদীনায়।
অধমেরে কইরা পাগল,নবী শুয়ে আছেন মদীনায়।
মদীনা শরীফের মাঝে,
মেশক মতি রওশন জ্বলে ও,
যে দেইখাছে দু’নয়নে , যে দেইখাছে দু’নয়নে,
দেখলেই পাগল হয়ে যায়।
তোমরা যদি মদীনায়।
অধমেরে কইরা পাগল,নবী শুয়ে আছেন মদীনায়।
মদীনা শরীফের মাঝে,
জান্নাতুল ফিরদাউসের বাগান আছে ও,
সেই বাগানে শুযে আছেন, সেই বাগানে শুযে আছেন,
আমার জিন্দা নবী মোস্তফায়।
তোমরা যদি মদীনায়।
অধমেরে কইরা পাগল,নবী শুয়ে আছেন মদীনায়।
অন্তরে মোর এশকের আগুন,
জ্বলিতেছে সর্বক্ষনে ও,
দিবা নিশি কাঁদি আমি, দিবা নিশি কাঁদি আমি,
যাব নূরের মদীনায়।
তোমরা যদি মদীনায়।
অধমেরে কইরা পাগল,নবী শুয়ে আছেন মদীনায়।
অধম গোলাম কেঁদে বলে,
নবীজির রওজায় যাই কেমনে ও,
সালাম লুটাইয়া দিতাম, সালাম লুটাইয়া দিতাম,
নূর নবীজির নূরের পায়।
তোমরা যদি মদীনায়।
অধমেরে কইরা পাগল,নবী শুয়ে আছেন মদীনায়।
“না‘ত-ই-রাসুল ”৩৪
নাম মোহাম্মদ বোল রে মন নাম আহমদ বোল,
যে নাম নিয়ে চাঁদ সিতারা আসমানে খায় দোল।
পাতায় ফুলে যে নাম আঁকা,
ত্রিভূবনে যে নাম মাখা,
যে নাম নিতে হাসল ,
ঊষার রাঙ্গেরে কপোল।
যে নাম নিয়ে ধায় রে নদী,
যে নাম সদা জফে জলধী,
যে নামে বহে নিরবধী,
পবন হিল্লোল।
যে নাম বাজে মরূ সাহারায়,
যে নাম বাজে শ্রাবন ধারায়,
যে নাম চাহে কা’বা মসজিদ,
মা আমিনার কোল।
“না‘ত-ই-রাসুল ”৩৫
ওগো নবী সরোয়ার তুমি হাবীব আল্লাহ
ত্রিভূবনের পেয়ারা তুমি আসীম তোমার শান।
যত নবী দুনিয়ার,তুমি সবারই সরদার
সৃষ্টির মাঝে তোমার সম নাই ইনসান।
ত্রিভূবনের পেয়ারা তুমি আসীম তোমার শান।
সৃষ্টি করে নূরকে তোমার অতি তাজীমে
সবার আগে রাখেন আল্লাহ আরশে আজীমে
সে পাক নূরেতে তোমার
গড়েন তামাম সংসার
সৃষ্টি হল আরশ ,কুরসি, জমিন ওআসমান ।
ত্রিভূবনের ফেয়ারা তুমি ।
কাফেরেরা চাইল যথন মোজেজা দেখিতে ,
তখন তুমি তাদের নিয়ে গেলে পাহাড়েতে,
হুকুম দানিয়া হঠাৎ
তুমি সবাই সাক্ষাৎ
হারে ইশারাতে চন্দ্র করিলে দুই খান,
ত্রিভূবনের পেয়ারা তুমি
মিরাজ রাতে আল্লাহ তালা বোরাক পাঠাইয়া
অতিথি বানাইল তোমায় আরশে আলায় নিয়া
পেলে দীদার প্রভূর
নূরে মিলে গেল নূর
সেই নূরের জ্যোতে জাহের বাতেন হ-ই-ল রৌশন
ত্রিভূবনের পেয়ারা তুমি ।
“না‘ত-ই-রাসুল ”৩৭
মোদের নবী বিশ্বনবী শ্রেষ্ট দুনিয়ার
স্বয়ং আল্লাহ বিশ্বপতি আশিক হল তার
তাঁর পরশে মুর্তি পুজার আধাঁর হল দূর
জল্ল দিকে দিকে উজ্জল তৌহীদেরি নূর
মিটে গেল সব নাদানী
মিটল সকল পেরেশানী
দূর হল সব বে- ইনসাফী জুলুম অবিচার
এল রাসুল মানবতার মুক্তি সনদ নিয়ে
গড়ল ধরায় ভ্রাতৃ সমাজ মহান তালিম দিয়ে
ছিল যারা নিপীড়িত
ছিল চরম ভাগ্যহত
পেল তারা সবার সমান বাঁচার অধিকার
নাইক গতি এই দুনিয়ায় তার তরীকা বিনে
নাইক নাজাত তিনি ছাড়া কঠিন হাশর দিনে
আরজু দিলের এই অভাগার
শোন হে পরোয়ার দিগার
মরন কালে পেয়ারা নবীর পাই যেন দিদার।
“না‘ত-ই-রাসুল ”৩৯
বালাগাল উলা বিকামালিহী, কাশাফাদ্দোজা বিজামালিহী,
হাছুনাত জামিউ খিছালিহি, সল্লু আলাইহি ওয়া
আলিহি।
ইয়া ছহিবাল জামাল
ওয়াইয়া সাইয়্যেদাল,
মিন ওয়াজহিকাল মুনীরু লাক্বাদ নাউওয়ারাল ক্বামারূ।
মোহাম্মাদুন বাশারূন
লাইছা কাল বাশার
বাল হুয়া ইয়াকুতাতু কাল হাজার।
মোহাম্মাদুন সাইয়্যেদুল
কাউনাইনে ওয়াছ ছাকালাইন
ওয়াল ফারীকাইনে মিন আরাবিন ওয়া আযম।
নক্ষীউনাল আমিরূ ওয়ান্নাহী
ফালা আহাদ
আবাররু ফী কাউলি লা মিনহু ওয়া নিয়াম।
হুওয়াল হাবীবুল্লাজী
তুরজা শাফায়াতাহু,
লিকুল্লি হাওলিন মিনাল আহওয়ালি মুক্বতাহিমি।
ফাক্বান্নাবীইনা ফী
খালকিন ওয়া ফী খুলুক্ব
ওয়ালাম ইয়াদানুহু ফী ইলমিও ওয়ালা কারাম।
মোনাঝ্ঝাহুন আন শারীকিন
ফী মোহাছিনিহি,
ফাজাওহারুন লিহুছনি ফীহি গাইরা মোনকাক্বাসামি।
ফাইন্নাহু শামছু ফাদ্বলিন
হুম কাওয়াকিবুহা,
উইজহিরনা আনওয়ারূহা লিন্নাছি ফিজ্জোলামি।
কা আন্নামাল লু’লু’ল মাকনুনি ফী ছদাফিন,
মিন ম’দানী মোনতিকিন মিনহু
ওয় মোবতাছিমি।
ওয়া কুল্লুহুম মিন
রূসুলিল্লাহি মোলতামিছুন,
গরক্বান মিনাল বাহরি ওয়া রিশক্বান মিনাছছাদীম।
লা ইউমকিনুছ ছানাউ কামাকানা হাক্কুহু
বায়দ আজ আল্লাহ বুজুর্গ তুহি কিছ্ছা মুখতাছার।
আছছোবহ বাদায়া মিন
তলায়াতিহি,
ওয়াললাইলু দোজা মিন অফরাতিহী।
ফায়াকার রাসুলা ফাদলাউ আলা
আহাদাছ ছুবুলালে দালালাতিহী।
কানজুল কারামী মাওলান
নিয়ামী,
হাদীয়িল উমামী লি শারিয়াতিহী।
আজকান নাছবি আয়লাল
হাছাবী,
কুল্লাল আরাবী ফি খিদমাতিহী।
ছায়াতিস শাজারু নাতাকাল
হাজারু,
শুক্কাল কামারু বি এশারাতিহী।
জিবরাইল আতা লাইলাতাল
ইছরা,
ওয়ার রব্বু দায়া লিহাজরাতিহী।
নায়ালাশ শারাফা ওয়াল্লাহু
আফা,
আম্মা ছালাফা মিন উম্মাতিহী
ফা মুহাম্মাদুনা হুয়া
ছাইয়্যিদুনা
ফাল ইজ্জুলানা লে এজাবতিহী।
“না‘ত-ই-রাসুল ৪০
মেরাজে যায় আল্লাহর হাবিব নূরে ছাল্লো আলা
ইয়া রাছুলাল্লাহ্ ইয়া হাবিবাল্লা
গোপন তত্ত্ব প্রকাশিতে ড়াকেন মাওলা
পাক জাতে গভীর রাতে বোরাক চড়ে আরশ মুয়াল্লা। ঐ
ছিদরাতুল মুনতাহা ছাড়ি রফ রফে হইলেন ছওয়ার
পিছে পিছে পীর জিলানি আগে কামলি ওয়ালা। ঐ
মারহাবা মারহাবা ধ্বনী বলতেছে আজ সব রূহানী
পিছে পিছে ওয়ালীউল্লা আগে কামলি ওয়ালা। ঐ
মীমের পর্দা উঠাইয়া আহম্মদ রূপ ধরিয়া
আরশে গিয়ে বলেন তিনি
কালে কামলি ওয়ালা। ঐ
কলবেতে খেলা করে পাক রাসুল আল্লা
ইয়া রাসুলাল্লা ইয়া হাবিব আল্লাহ্
“না‘ত-ই-রাসুল ৪১
রাহামাতুল্লিল আলামিন নবী দুনিয়া উজালা
মোহাম্মদ রাসুলুল্লাহ ইয়া মুহামামদ (সঃ)
তুমি না এলে নবী অন্ধকার থাকিত সবই
তবু নাম জপি সদায় বইসা নিরালা। ঐ
মক্কাতে আমিনার কোলে ১২ই রবিউল আউয়ালে
জাহির হইয়া তুমি নবী দুনিয়া করলা উজালা। ঐ
আল্লার নূরে নবী পয়দা তার নূরে সকল পয়দা
নূরকা রৌশন দিয়া কলবে আদমকে সৃজিলা। ঐ
আউয়ালেতে আহাদ ছিল দুয়ামেতে আহম্মদ হইলা
ছুয়ামেতে মুহাম্মদ নামে
মোদের তরে আসিলা। ঐ
অধম মুকতার বলে রাসুলুল্লার চরন তলে
মরন কালে পাড়ি যেন লাইলাহা ইল্লাল্লাহু
মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ। ঐ
“না‘ত-ই-রাসুল ৪২
সালাতু রব্বী আলা মোহাম্মদ
রাসুলে আকবর সালাম তুমপর
দুরূদ আকবর সালাম তুমপর,
দুরূদ মালায়েক সালাম তুমপর,
সালাতু রব্বী সালাতু খালক্ব,
¬না হইতা পয়দা তুমি
আদি নূরী,
না হইতা গন্ধম জান্নাত হুরী,
না হইতা ইনসান জীন পরী।
সালাতু রব্বী আলা মোহাম্মদ
রাসুলে আকবর সালাম তুমপর
দুরূদ আকবর সালাম তুমপর,
দুরূদ মালায়েক সালাম তুমপর,
দ্বীন দুনিয়ার তুমি তো বাদশা
তুমারি উম্মতের কিসের আন্দেশা
তুমি বিনে নাই ভরসা ।
সালাতু রব্বী আলা মোহাম্মদ
রাসুলে আকবর সালাম তুমপর
দুরূদ আকবর সালাম তুমপর,
দুরূদ মালায়েক সালাম তুমপর,
সালাতু রব্বী সালাতু খালক্ব,।
বেহদ ভাবিলে তোমারি সন্ধান
পেয়ে কত হিন্দু ও খৃষ্টান
মহা গৌরবে হল মোসলমান।
সালাতু রব্বী আলা মোহাম্মদ
রাসুলে আকবর সালাম তুমপর
দুরূদ আকবর সালাম তুমপর,
দুরূদ মালায়েক সালাম তুমপর,
সালাতু রব্বী সালাতু খালক্ব,
কুহেতুরের মাটি পায়েতে মোছার
লাগিল গৌরব বাড়িল তাঁহার
হুকুম হইল জুতা খুলিবার
।
সালাতু রব্বী আলা মোহাম্মদ
রাসুলে আকবর সালাম তুমপর
দুরূদ আকবর সালাম তুমপর,
দুরূদ মালায়েক সালাম তুমপর,
সালাতু রব্বী সালাতু খালক্ব,।
আপনার জুতা না খোলার জন্য
আল্লার আরশ হইল ধন্য
আমারী নবী জগতের নবী
পড়হে দরূদ নবীজির উপর।
সালাতু রব্বী আলা মোহাম্মদ
রাসুলে আকবর সালাম তুমপর
দুরূদ আকবর সালাম তুমপর,
দুরূদ মালায়েক সালাম তুমপর,
সালাতু রব্বী সালাতু খালক্ব,
“না‘ত-ই-রাসুল ৪৩
পড় দুরূদ নবী মোস্তফায় ও গো সময় যায়
আল্লহ্ ছিলেন একিলা, ছিল না তার কোন সখাঁ।
তখন আল্লহ্ প্রকাশ হইতে চায়, সময় যায়
পড় দুরূদ নবী মোস্তফায় ও গো সময় যায়
আপনি নূর হইতে আল্লাহ্
মোহাম্মদি নূর করলেন জুধা,
জোস মারিলেন এস্কের দরিয়ায়, সময় যায়
পড় দুরূদ নবী মোস্তফায় ও গো সময় যায়,
মোহাম্মদি নূর হইতে,
আগে আল্লাহ্ পাক জাতে
সৃষ্টি করলেন এই দুনিয়া,
নবী জদি না হইতো আল্লাহ্
কিছু পয়দা না করিতেন,
অন্ধকারে থাকত দুনিয়ায়। সময় যায়
পড় দুরূদ নবী মোস্তফায় ও গো সময় যায়
মোহাম্মদি নূর দিয়া, আদমেরে বানাইয়া যাওহে
রুহু আদমের অন্তরায়,অন্ধকার দেখিয়া রুহু
কান্দিতেছে উহু উহু,
অন্ধকারে থাকা বিষন দায়। সময় যায়
পড় দুরূদ নবী মোস্তফায় ও গো সময় যায়
মোহাম্মদি নূর লইয়া, আদমের চিনায় দেয় বসাইয়া
যাওহে রূহু আদমের অন্তরায়, রূহু বলে মালেক শাই
এইবার কোন ছিন্ত নাই,
দেখতে কেমন সুন্দর দেখা যায়। সময় যায়
পড় দুরূদ নবী মোস্তফায় ও গো সময় যায়
“না‘ত-ই-রাসুল ৪৪
নবীর প্রেমে আসেক যারা প্রেম খেলা খেলে
নবীর প্রেমে ওয়াস করুনি দন্ত দেয় ফেলে।
পাগল ছিলেন আবু বকর প্রেম দরিয়ায় দিলেন সাতার
হাশর মিজান পাড়ি দিবে সেই প্রেমের বলে । ঐ
পাগল ছিলেন হযরত আলী সুর্যের সাথে কথা বলি
নামাজ আমি পড়লে তুমি যাইবেরে তলে। ঐ
হযরত হানজালা পাগল ছিলেন নবীর প্রেমে জীবন দিলেন
গোছল করাইলো তারে ফেরেস্তার দলে। ঐ
হাসেমী ড়াইকা বলে দায়াল নবীর প্রেম থাকিলে
রোজ হাসরে প্রেমের মালা পরাইবে গলে ঐ
“না‘ত-ই-রাসুল ৪৫
ওগো নবীজি তোমারী প্রেম দরিয়ায় সাতার দিয়েছি
তোমারী প্রেম পাগল খোদে মাওলাজি
হাতে নাই মোর টাকা কাড়ি পুলছে রাতে কিযে করি
তোমার প্রেমের মালা মোরা গলায় পরেছে। ঐ
তোমার নামের তরী লইয়া সাত আসমান পাড়ি দিয়া
প্রেমের খেলা খেলে বেলাল আমরা শুনেচি। ঐ
তোমার প্রেমের সাগরদিয়া ৮০ হাজার সৃষ্টি লইয়া
ভাসাইয়া প্রেমের তরী খেলে মাওলাজি। ঐ
প্রেমের পাখা উড়াইয়া আশেকেরা বলে চোখে পানি লইয়া
তোমাকে দেখিবার আসে পাগল হয়েছি। ঐ