আন্তরিক
বিশ্বাস কর্মেই প্রমান, কন্ঠে হস্তে পাদুকায় ও বাক স্বাধীনতায় বাস্তবে মানব কল্যানই মোহাম্মদীয়া
ইসলাম।
মসজিদের মেহরাবের
অপর নাম সুলতানখানা। যেখানে সমস্ত নবীগণ (আঃ) অবস্থান করেন, বর্তমানে ইমামগণের সম্পূর্ণ অজানা।
মসজিদের সুলতানখানায়
নূর নবীজির (সঃ) হুজরাখানা। ঐ সুলতানখানায় সদা হাজির থাকেন, দুজাহানের সুলতান আল্লাহর রাসুল রহমাতুল্লিল আলামীন (সঃ)।
মসজিদের সুলতানখানায়
সদা হাজির থাকেন দুজাহানের সুলতান আল্লাহর রাসুল রহমাতুল্লিল আলামীন (সঃ)।
মুসল্লিগণ দেখবেন মসজিদের ইমাম সাহেবকে।
আর ইমাম সাহেব দেখবেন আল্লাহ ও তার রাসুলকে (সঃ)।
সালাত শরীফ
হলো মীরাজ স্বরূপ। যেই সালাতে আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুলের (সঃ) সাথে সাক্ষাত হবেই।
মসজিদের ইমাম
সাহেব সালাতকে মীরাজ স্বরূপ আকীদাহ রাখলে! মেহরাবে সালারত অবস্থায় আল্লাহর রহমত, কবুলিয়াত, মাগফিরাত ও নিয়ামত লাভ করবেন করাবেন।
বর্তমান ইমাম
সাহেবগণ মসজিদের সুলতানখানায় প্রবেশকালে নুরনবীজিকে (সঃ) সালাতু সালাম করে মেহরাবে
প্রবেশ করেন?
বর্তমান ইমাম
সাহেবগণ মসজিদের সুলতানখানায় প্রবেশকালে নুরনবীজিকে (সঃ) সালাতু সালাম করে সালাত কায়েমের
অনুমতির আবেদন করেন?
বর্তমান ইমাম
সাহেবগণ মসজিদের সুলতানখানায় প্রবেশকালে নুরনবীজিকে (সঃ) সালাতু সালাম করে সালাত কায়েমের
অনুমতির আবেদন একান্ত প্রয়োজন মনে করেন?
সালাতের হাকীকতে
জামিন্দার স্বয়ং আমাদের নবী হযরত মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সঃ)।
সালাত শরীফ
আল্লাহ পাক নিজেও কায়েম করেন!
সালাত শরীফ
সকল নবীগণ (আঃ) কায়েম করেছেন।
সালাত শরীফ
নুর নবী হযরত মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সঃ) স্বয়ং কায়েম করেন!
সালাত শরীফ
সকল ফেরেস্তাগণ (আঃ) কায়েম করেন!
সালাত শরীফ
তামাম সৃষ্টিই কায়েম করেন!
মানুষ যদি
সালাত শরীফ কায়েম করতে অস্বীকৃতি জানায়? তাতেও ক্বিয়ামত
পর্যন্ত সালাত শরীফ কায়েম থাকবে।
সালাত শরীফ
মানুষ কায়েম করার চেষ্টা করতে পারে? আল্লাহ পাক
যদি দয়া না করেন, তবে কখনো মানুষ কায়েম করতে পারবে না।
আল্লাহকে
দেখতে হবে সালাতে, আল্লাহকে দেখতে হবে মসজিদে।
নুর নবীজিকে
(সঃ) দেখতে হবে সালাতে, নুর নবীজিকে (সঃ) দেখতে হবে মেহরাবে।
সালাতের ১০+১৫+১০+১০+১৫=
৬০মিনিট। আল্লাহ ও বান্দার প্রেম নিবেদনের মুহুত্বকাল।
ফজর, জোহর, আসর, মাগরীব, ঈশা ও ভিতির
দ্বীদারে
মাওলা ও দ্বীদারে নুর নবীজির (সঃ)।
২৩ ঘন্টা
দিলেন আল্লাহ তোমার কাজের সময়
আল্লাহকে
মাত্র ৬০মিনিট দিতেই কিসের মায়া হয়।
তোমার কাজে
সময় লাগে, লাগে টাকা কুড়ি।
২৩ ঘন্টা চাকুরীর শেষে পিরবে খালি খালি।
সালাত এক
অর্থে তাসবীহ বলা হয়েছে।
সালাতকে বড়
জিকির বলা হয়েছে।
সালাতকে ইস্তিগফার
বলা হয়েছে।
সালাতকে রহমত
বলা হয়েছে।
সালাতকে মাগফিরাত
বলা হয়েছে।
সালাতকে মীলাদ
বা দুরুদ শরীফ সাব্যস্থ করা হয়েছে।
শরীয়তের সম্পূর্ণ রুপ রেখা সালাত শরীফের মধ্যে
পাওয়া সহজ।
তরীকতের যতগুলো
সিড়ি রয়েছে প্রত্যেকটি সিড়িই সালাত শরীফের মধ্যে খোজে পাওয়া যায়।
সালাত শরীফ
একটি সুন্দর শান্তিপ্রিয় সামাজিক বন্ধন।
সালাত শরীফ
সাম্যবাদী ও সমান্তরাল এবং ইন্সানিয়াতের সোপান।
সালাত শরীফ
আম ভাবে সকলেই সঙ্গবদ্ধ ভাবে এক কাতারে ঐক্য ব্যবস্থার প্রধান প্রক্রিয়া।
সালাত শরীফ
বর্ণ বৈসম্য দুর করে।
সালাত শরীফ
মানুষে মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সোহার্ধ সৃষ্টির সুত্র।
সালাত শরীফ
নেতার প্রতি আনুগত্য কতখানি তা অনধাবন করা সহজ।
সালাত শরীফে
নুর নবীজির (সঃ) উপর ওয়াহী নাজিল হয়েছে।
সালাত সম্পর্কে
ক্বোরআনে ৮২ জায়গায় উল্লেখ করা হয়েছে।
হাদীসের কিতাবে
কিতাবুস সালাত একটি অধ্যয় সূচিত হয়েছে।
ফিকহের কিতাগুলোতে
সালাত শরীফ সম্পর্কে বিশাল বিশাল অধ্যয় ও কর্মসূচি দেয়া হয়েছে।
ইমানের পরই
সালাত শরীফই ইসলামের প্রধান স্তম্ব ঘোষিত হয়েছে।
সালাতের মুল অক্ষর (ص ل ي) যার অর্থ বক্রমন
সোজা করা, মানুষের মন চঞ্চল বক্র
সালাতই পারে সোজা করতে, এতে সময় লাগে।
সালাতের মুল অক্ষর (ص ل ي) যা (باب تفعيل এর মাসদার) যার অর্থ বক্রমন সোজা করা, এবং আরো ৬২টি অর্থ বিভিন্ন ভাবে পাওয়া যায়।
সালাতের মুল অক্ষর (ص ل ي) যার অর্থ বক্রমন সোজা করা, মানুষের মন চঞ্চল,
বক্র, চতুর, লোভী, হিংসুক, বখিল, জিদী, চলনাময়ী, কামুক, অস্থির, শক্ত, দ্রুত, চালাক, নগদচাষী, অমনযোগী,
অলস, বিয়দবমন, লজ্জাহীন, অপচয়কারী, ভুলকারী,গীবতকারী, নিন্দাকারী অমনস্ক, নকলকারী,
মায়াময়ী, অঙ্গার সালাতই পারে সোজা
করতে, এতে সময় লাগে।
সালাতকে তাকবীরে তাহলীলকে তাকবীরে তাহরীমা বলা হয়েছে।
সালাতকে তাকবীরে তাহরীমা বলা হয়েছে।কিন্তু এর হাকীকত সম্পর্কে আমরা কতজন সচেতন, বা এর গুরত্ব
কতখানি কতজন জানি।
সালাত শব্দটি
মুস্তারিক যখন যে অর্থ প্রয়োগ করা হয়, তখন মুস্তারিক
থেকে মুয়াউইল সাব্যস্থ হবে।
সালাত শরীফ
কায়েম করবে আল্লাহ ও তার রাসুলের (সঃ) সম্মানার্থে।
সালাতের জামাতে
মুসল্লিগণ ইমামকে অনুকরণ বা ইত্তিবা করবে!
সালাতের জামাতে
ইমামগণ আল্লাহর রাসুলকে (সঃ) দেখে দেখে সালাত কায়েম করবেন।
সালাত শরীফের
পূর্ণাঙ্গ মডেল সালাতের নকশা হলেন স্বয়ং হযরত মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সঃ)।
হযরত মোহাম্মাদুর
রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন হে আমার উম্মগণ তোমরা আমাকে দেখে দেখে সালাত কায়েম কর।
হযরত মোহাম্মাদুর
রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন সালাতে আল্লাহ পাক উম্মতে মোহাম্মদীর সাথে দৈনিক পাঁচবার সাক্ষাতে
আসেন।
সালাতের মধ্যে
মুসল্লিদের সাথে দৈনিক পাঁচবার সাক্ষাতের ওয়াদা আল্লাহর নিজের। নিশ্চই আল্লাহ ওয়াদার
খেলাফ করেন না।
সালাত শরীফের
হাকীকতে ইমাম নবীগণ (আঃ) বিশেষ করে হাকীকতে চিরস্থায়ী ইমাম ইমামুল হারামাইন শরীফাইন, সাইয়্যিদুসসাকালাইন, সাইয়্যিদুল কাউনাইন, রহমাতুল্লিল আলামীন, সাইয়্যিদুনা, নাবীয়িনা, শাফীইনা, হাবীবিনা, মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লহ (সঃ)।
মসজিদের ইমামগণ
রাসুলকে (সঃ) দেখে দেখে সালাত শরীফ কায়েম করবেন, তবেই হাকীকতে সালাত কায়েম হবে।
মসজিদের ইমামগণ
রাসুলকে (সঃ) দেখে দেখে সালাত শরীফ কায়েম করবেন, তবেই ইকামাতুসসালাত কায়েম হবে।
মসজিদের ইমামগণ
রাসুলকে (সঃ) দেখে দেখে সালাত শরীফ কায়েম করবেন, অন্যথায় সালাত শরীফ কায়েম হবে না।
সালাত শরীফেই
আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমান করা যায়।
সালাত শরীফেই আল্লাহর রাসুলের রিসালাত ও নবুয়্যাতের অস্তিত্ব প্রমান করা যায়।
সালাত শরীফই
ইখলাস, তাকওয়া, লিল্লাহিয়াত প্রমান করার সুব্যবস্থা রয়েছে।
সালাতই জান্নাতের
দার উন্মুক্ত করার রাস্তা।
আল্লাহর কোন
বান্দা যদি আল্লাহ হাসিলের চিন্তা করেন, তবে সহজ রাস্তা
সহজ পদ্দতি হলো নিয়মিত সালাত শরীফের গুরুত্ব দেয়া।
সালাত শরীফ
হলো আল্লাহর সাথে খোশ আলাফ চারিতায় মশগুল থাকার এক কৌশল।
সালাত শরীফ
হলো সমস্ত নবী রাসুলগণের খাস সুন্নাত নিয়মনীতি ও শীয়ারে ইসলাম।
সকল নবী আম্বিয়াগণই (আঃ)
সালাত শরীফ কায়েম করেছেন, যদিও নিয়মনীতি ভিন্ন
ভিন্ন ছিল।
হযরত আদম (আঃ) জমিনে এস ফজরের সালাত দিয়ে সালাত কায়েম করেছেন।
হযরত আদম
(আঃ) জমিনে এস
ফজরের সালাত দিয়ে সালাত কায়েম করেছেন। এক রাকাত ছিল, শুধু কিয়াম আর
তাহিয়া ছিল।
হযরত আদম (আঃ) জমিনে এস ফজরের সালাত কায়েম করেছেন।তার সময় মোহাম্মদী সালাত ছিলনা।
১০৪ আসমানী কিতাবের মধ্যেই সালাতের কথা উল্লেখ রয়েছে।
সালাত শরীফ
দিয়েই প্রমান হয় আল্লাহর বান্দা আল্লাহর প্রতি কতটা আনুগত্যশীল।
সালাতের চেয়ে
বড় কোন ইবাদত আর নেই,
সালাতের মধ্যে
যাবতীয় ইবাদতের স্বাদ পাওয়া যায়।
শরীয়তের পূর্ণাঙ্গ
রুপ রেখা আস্সালাত শরীফ।
তরীকতের পূর্ণাঙ্গ
পদ্দতি আস্সালাত শরীফ।
হাকীকত বা
মারিফতের যত রুপ রেখা আছে বা থাকতে পারে বলে যত বানী শুনা যায়। তার প্রত্যেকটির জবাব
আস্সালাত শরীফ।
সালাত শরীফ
হলো শুকুরিয়া স্বরূপ।
সালাত শরীফ
হামদ ও সানা প্রকাশের প্রধান মাধ্যম।
সালাত শরীফ
মারেফতের প্রধান দরজা স্বরুপ।
সালাত শরীফ
খুশু খুজু হওয়া।
সালাতে মাত্র
তাকবীর বা ‘আল্লাহু আকবার’ একটি মাত্র ধ্বনি! অথচ এক ধ্বনি দিয়ে কতগুলোর ইঙ্গিত বহন করে।
সালাতের প্রথম তাকবীরকে তাকবীরে তাহরীমা
বলা হয়। তাহরীমার গুরুত্ব অপরিসীম।
আল্লাহর প্রতি
বান্দার আনুগত্য প্রকাশের মাধ্যম সালাতের ছেয়ে আর কোন ইবাদত এতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।
২৩ ঘন্টা
দিলেন আল্লাহ তোমার কাজের সময়
আল্লাহকে
মাত্র ৬০মিনিট দিতেই কিসের মায়া হয়।
তোমার কাজে
সময় লাগে, লাগে টাকা কুড়ি।
২৩ ঘন্টা চাকুরীর শেষে পিরবে খালি খালি।
সালাত শরীফ
মুমিনের নিয়মিত অজিফা স্বরুপ।
সালাতের মধ্যে
ইসলামের পূর্ণাঙ্গ রুপরেখা খোজ করলে তুমি সহজেই পেয়ে যাবে।
কোরআন তেলাওয়াত
থেকে আরম্ব করে যাবতীয় তাসবীহ, তাহলীল, রুক, সিজদা, জিকির, দোয়া, কালাম, মুনাজাত, দুরুদ সালাম, সবই সালাত শরীফে পাওয়া যাবে।
সালাতের চেয়ে
এত অনুগত্যশীল, শ্রদ্ধাশীল, প্রানবন্ত, একাগ্রতা, নিবেদিত, আকুল আবেদন মূলক, বিনয়ি, ভদ্রতা, প্রেম, সহনশীল, দেহমন সমুন্নয়ের ইবাদত আর নাই।
সালাত শরীফেই
একমাত্র নুরের ইন্টারনেট সমন্নয়ে গঠিত যার মধ্যে বান্দা মাওলা, নবী উম্মত, মানুষ মানুষের জন্য, আন্তরিকতা পূর্ণ ইবাদত।
সাধক তার
সাধনায় উত্তির্ণ হতে হলে সালাত শরীফের বিকল্প নেই।
ঈমান আকীদা
আমল তিনটি একসাথে একটা পূর্ণাঙ্গ রুপরেখা একমাত্র সালাত শরীফ।
তাসদীক বিল
জিনান, আমল বিল আরকান, ইকরার বিল লিসান একমাত সালাত শরীফ।
সালাত শরীফের
মধ্যে ক্বোরআন হাদীস ইজমা কিয়াস সমাজ সংসার দেশ জাতি উন্নতি প্রগতি হারাল হারাম সত্য
মিথ্যা ন্যয় অন্যায় সবই খোজে পাবে।
সালাত কায়েম করা মানি!
মোহাম্মদীয়া ইসলাম কায়েম করা শামিল।
আসুন আমরা সবাই নিয়মিত
সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে গোটা
মোহাম্মদীয়া শরীয়তের সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে গোটা
মোহাম্মদীয়া ত্বরীকতের সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে গোটা
মোহাম্মদীয়া হাকীকতের সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে গোটা
মোহাম্মদীয়া মারেফতের সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাত কায়েমের পূর্ব শর্ত
হলো পবিত্রতা অর্জন। আসুন আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম
করি।
সালাতের সাথে অজুর সাথে
সম্পর্ক। আসুন আমরা সবাই নিয়মিত
সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে পবিত্রতার
সম্পর্ক। আসুন আমরা সবাই নিয়মিত
সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে তাইম্মুমের
সম্পর্ক আসুন আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাতের গোসলের সাথে সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে বদনের সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে মনের সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে সময়ের সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে কাপড়ের সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে জায়গার সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে কোরআনের সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে সমাজের সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
সালাতের সাথে দেশের সম্পর্ক। আসুন
আমরা সবাই নিয়মিত সালাত কায়েম করি।
বর্তমান সমাজে সমাজ ভিত্তীক মসজিদ গঠন হওয়ার কারণে ইমাম নামে নামকে ওয়াস্তে
একটি রবট বা পুতুল বা ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী শুধু জি হুজুর জি হুজুর বলনে ওয়ালা
দিয়ে সালাতের মত এত বড় ইসলামের প্রধান খুটির কাজ করানো হচ্ছে।
মুসলিম
সমাজের সমাজপতি ঐ সমাজের মসজিদের ইমাম সাহেব, তিনি সমাজের কাছে সবচেয়ে অবহলিত ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীর চেয়েও অপাত্র ।
মুসলিম
সমাজপতি মসজিদের ইমাম,
পরিচালনায় একমাত্র কোরআন।
পরিচালনায় একমাত্র কোরআন।
মসজিদ
ভিত্তীক সমাজ চাই, সমাজ ভিত্তীক মসজিদ চাইনা।
মেহরাবে
বসে ইমাম (ভারপ্রাপ্ত রিসালাত) নিয়ন্ত্রন ও রিসলাতের পুর্ণদায়িত্ব পালন করবেন
মসজিদের ইমাম।
মসজিদ
হলো মুসলিম সেন্টার, কোরআন হলো লিখিত সংবিধান,
ইমাম হলো স্পীকার,
মুসলিম সমাজ গঠনের দরকার।
মসজিদ হলো
মুসলিম সেন্টার,
কোরআন হলো লিখিত সংবিধান, ইমাম হলো স্পীকার, মুসলিম সমাজ গঠনের দরকার।
মসজিদ আল্লাহর ঘর সত্য, মেহরাব নবীজির ঘর এটা মহা সত্য, মসজিদে থাকবে মুসল্লিগণ, মেহরাবে ইমাম।
সালাত
হলো সামাজিক বন্ধন ও মুসলিম ঐক্যের আহব্বান।
মসজিদে
প্রতিষ্ঠিত হবে ইমাম শাসিত সুন্দর অবকাঠামোগত প্রগতিশীল রিসালাত সরকার।